সোমবার, ০৬ Jul ২০২৬, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন

সিরাজগঞ্জে সংঘর্ষ ও বাড়ি ভাঙচুর, ‘সঠিক’ বিচার চান আ. লীগ নেতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, নগরকন্ঠ.কম : সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকা দুই মহল্লাবাসীর মধ‌্যে পাঁচ দিন দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। ক্ষমতাসীন দলের নেতা এবং প‌্যানেল মেয়রের বাড়িসহ ভাঙচুর হয়েছে ১২টি বাড়িতে। জেলা আওয়ামী লীগের নেতা জড়িতদের ‘সঠক’ বিচার চেয়েছেন। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

দত্তবাড়ি ও চক কোবদাসপাড়া মহল্লাবাসীর মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে সিরাজগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র গোলাম মোস্তফার বাড়ি, জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুসের বাড়ি, কোহিনুর বেগমের বাড়িসহ ১২টি ঘরবাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এসময় হান্নান, রন্জু, নাইম,রেজুয়ান, সামি, পারভেজ শাহাদতসহ ১০ জন আহত হন।

সোমবারও (১২ অক্টোবর) সংঘর্ষ হয়েছে, দুপুরে ওই এলাকায় গেলে ভাঙচুরের দৃশ্য চোখে পড়ে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দত্তবাড়ি ও চক কোবদাসপাড়া মহল্লাবাসী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। গত পাঁচদিন ধরে চলা এই সংঘর্ষে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া ইটপাটকেল নিক্ষেপে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। দফায় দফায় সংর্ষের ঘটনায় সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘আমার বাড়িসহ ১২টি ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। আমি এর সঠিক বিচার দাবি করছি।’

সিরাজগঞ্জ পৌরসভার প্যানেল মেয়র গোলাম মোস্তফা অভিযোগ করে বলেন, ‘মাদক ব্যবসায়ী মুসার নেতৃত্বে মোস্তাকিন, সোহেল, ফরিদ, মিদুল, বাবলু, মিলনসহ ৩০/৪০ জন বখাটে সন্ত্রাসীদের নিয়ে আমার বাড়িতে হামলা চালানো হয়। এসময় তারা আমার বাড়ির আসবাবপত্র ভাঙচুর ও সোনার গহনা লুটপাট করে, সেই সঙ্গে আমার বাড়ীতে গুলিবর্ষন করে।’

সিরাজগঞ্জ সদর থানার (ওসি) ভারপ্রাপ্ত গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘গত পাঁচ দিন ধরে দুই মহল্লায় দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। এঘটনায় উভয় পক্ষের বাড়ি-ঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com